গত ৫/৬ দিন আগে যে সকল সড়কে পানি ছিল এবং ওই সড়কগুলোতে নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। বর্তমানে এসব সড়কে আর পানি নেই চেনা সড়কগুলে ভেসে ওঠল।২৪ মে মঙ্গলবার সিলেটের উপশহরের প্রধান সড়কে সরেজমিনে গেলে দেখা গেছে একেবারে পানিহীন সড়ক ভেসে ওঠেছে। আবাসিক এলাকাগুলোর সড়ক থেকে পানি নেমে যায়। ২/৩টি নিচু এলাকা ছাড়া সিলেট নগরীর বেশিরভাগ এলাকা থেকেই পানি নেমে গেছে। মঙ্গলবার সকালে তালতলা এলাকায় দেখা গেছে, পুরো পানিশূন্য সড়ক। এসব এলাকার বাসাবাড়ি থেকেও পানি নেমে গেছে। অথচ তালতলার বিভিন্ন এলাকায় দিন ৫/৭ দিন আগেও কোমর পানি ছিল। গত ১১ মে থেকে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আর নগর তলিয়ে যেতে শুরু করে ১৬ মে থেকে। প্রায় ৮ দিন পর সিলেট নগরী থেকে নামলো পানি। ১৪ দিন পর সিলেটে সুরমা নদীর পানিও বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। সকাল থেকে সুরমার পানি সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমার প্রায় ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সিলেট পয়েন্টে কমলেও কানাইঘাটে সুরমার পানি এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর কুশিয়ারা নদীর পানি এখনও সবকটি পয়েন্টেই বিপদসীমার উপরে আছে। সিলেট নগরীর পানি দ্রুত কমলেও গ্রামাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হচ্ছে না। জেলার ১২ টি উপজেলায় এখনও পানিবন্দি রয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। পানি কমলেও দুর্ভোগ কমছে না নগরবাসীর। পানি নেমে যাওয়া এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে দুর্গন্ধ। পানিতে অনেকের বাসাবাড়ির আসবাবপত্র ও দোকানের মালামাল নষ্ট হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার পর থেকেই বাসা-বাড়ি পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছেন অনেকেই। সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, সিলেট নগরীর ২৭ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৬ টি ওয়ার্ডই জলমগ্ন হয়ে পড়েছিলো। এখন ২/১টি এলাকা বাদে সব জায়গা থেকেই পানি নেমে গেছে। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানান, পানি নেমে যাওয়ার পর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা শাখার দল গঠন করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়। সেই সঙ্গে মশা-মাছি ও কীটপতঙ্গ নিধনের জন্য ওষুধ ছিটানো এবং ময়লা দুর্গন্ধ দূর করতে ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিকে সিটি কর্পোরেশন প্